কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৮ মে, ২০২৩

আড়ি-ভাব

আড়ি দেওয়ায় লাঠি দিয়ে
মারলো মাথায় বারি,
জিজ্ঞেস করে আর যাবি বল
আমায় দূরে ছাড়ি?
বললাম আমি ভয় পেয়ে
যাবো না আর ছেড়ে,
যদি যাই নিয়ে নিস
প্রাণটা আমার কেড়ে।

দিচ্ছি কথা ভাঙছি আড়ি
যাবো নাকো দূরে,
হাসবো, খেলবো ছড়া কাটবো
রাখাল বাঁশির সুরে। 



আড়ি

ইচ্ছে করে সামনে আজি
ঝুলিয়ে দিলাম আড়ি
সাত সমুদ্রুর তোমায় নিয়ে
দিবো না আর পাড়ি
যাও, চলে যাও, দূরে যাও
সরো- আমায় ছাড়ি
দূর সীমানা পাড়ি দাও তুমি
চড়ে হাওয়ার গাড়ি।


বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৮

দু:খের পরশ পাথার

ওহে প্রলয় শিখা
তুমি কি বেদনার নীল সাগরে
কখনও ডুব দিয়েছো ?
তবে কেমন করে বুঝবে
দু:খের পরশ পাথার কেমন ?
তুমি আমাকে পাথর ভাবছো
অথচ আমি এখনও
পাথর হতে পারিনি;
সামান্য কষ্টের মরিচা পড়া
এক বিন্দু বালু কণা মাত্র।


২১ মার্চ, ২০১১ 

 

মা আমার ভালোবাসা

মা যে আমার ভালোবাসা
মা যে আমার প্রাণ
মায়ের প্রতি রইল আমার
হাজারো সালাম।

আমি যখন বাহিরে থাকি
মা থাকে পথ চেয়ে
মা যে অনেক সুখি হয়
আমি ফিরলে ঘরে।

আমি যখন সফল হই
মা হয় খুব খুশি
মায়ের দোয়া সাথেই থাকে
এই যে আমার পুঁজি।

আমার যখন অসুখ করে
মা থাকে পাশে বসে
রাত জেগে মা পাহারা দেয়
ঘুম থাকেনা তার চোখে।

মায়ের কাছে শিখেছি আমি
প্রথম বর্ণমালা
মা যে আমার অমূল্য ধন
হিরা-মতির মালা।

মায়ের দামী ভালোবাসা
ভুলিবার নয় কভু
মাকে তুমি ভালো রেখো
ওগো মোর প্রভূ।

মে ৮, ২০১১
 

 

বুধবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৮

এক পশলা বৃষ্টিতে

এক পশলা বৃষ্টিতে
ভিজিয়ে দিলো শহর
ক্লান্তিময়তা যত
কাটিয়ে প্রহর।
গ্রীষ্মের খরতাপের
তপ্তময় দুপুরে
মেঘের আড়ালে সূর্য হারায়
বৃষ্টি নামে ঝুপুরে।
এক পশলা বৃষ্টি
হয়ে গেল হৃদয়ে
মনেরি আঙ্গিনায় আছো তুমি
নীরালায় গোপনে।
ধরা ছোঁয়ার বাইরে
রাখবো তোমায়
সাজানো বাগানে
এ মনের আঙ্গিনায়।

মে ১৬, ২০১১
 

 

আমি মানুষ ছিলাম

পৃথিবী আছে, থাকবে অনন্তকাল
হয়তো পরিবর্তন, রূপান্তরিত হবে
যেমনি হচ্ছে আজ।
এখানে এসেছি আমি
এ পথ বলবে কী সে কথা ?
যখন আমি হব প্রয়াত
পৃথিবীর সকল মানুষের সাথে
চির ব্যবধান হবে মাটির দেয়াল,
সৃষ্টির সকল কীর্তি ফাঁস
শুরু হবে নতুন করে পুরনো হিসাব,
স্বর্গ কী নরক, যেখানেই হয় বাস
দুঃখ রবে না আমার !
যদি তোমরা বল আমি মানুষ ছিলাম।

২৩/০৫/২০১১

শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৬

কুয়াশা ঢাকা চাঁদ

দেখে এলাম ঘুরে ফিরে
একটি বছর পরে
রাতের ওই কুয়াশা গুলো
চাঁদ রেখেছে ঘিরে।

হিম হিম এই গভীর রাতে
পূর্ণ চন্দ্রিমায়
হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে
তারি মোহনায়।

মেঘ গুলো খেলা করে
চাঁদের চারিপাশে
তারা গুলোও মিটিমিটি
জ্বলে দূর আকাশে।

কি অপরূপ সৃষ্টি তাহার
নাইতো স্রষ্টার তুল
সৃষ্টিকূল তাই সেজদায় লুটতে
করেনা কভু ভুল।


ভবিষ্যত

না, মাথায় আসছে না কিছু
ভাবনাগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে মনে,
চিন্তার ভাঁজও জমছে কপালে ক্ষণে
তাড়া গুলো লাগছে আমার পিছু।

আচ্ছা, ঠিক তুইওতো বুড়ি হবি
এমনি করে বয়স বাড়বে তোমারো একদিন,
চামড়া কুঁচকাবে আমারো এমনি প্রতিদিন
আমিও হবো ঠিক বুড়ো কবি।

বলতো, কি রেখে যাবো এ জন্মে
আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের তরে,
ধরা উপযোগী দিতে হবে করে
এভাবে থেকে যাবো মোরা কর্মে।

বলনা, কি পাঠাবো আমরা অগ্রে
যেখানে পৌঁছাবো ঠিক মরার পরে,
নিজকে গড়তে হবে নবীকে আদর্শ করে
তবেইতো ঠাঁই হবে সে কাঙ্খিত স্বর্গে।


বলবে কি

জোসনা রাত হাতে রেখে হাত
বলবে কি কেউ মোরে-
ভালোবাসি,
বুকে রেখে মাথা সাথে সরলতা
আমি অাছি থাকবো তোমার-
পাশাপাশি।
বুকে চেপে মাথা চুলে কেটে বিলি
রাখবো সর্বদা তারে-
কাছাকাছি,
কাটাবো রাত আসবে ভোর
বিশ্বাস রবে দৃঢ় মনে-
জড়াজড়ি।


শনিবার, ৭ মার্চ, ২০১৫

বাবা তোমাকে


বাবা, যখন ছিল তোমায় খুব বেশি প্রয়োজন
তার আগেই চলে গেলে তুমি ছেড়ে ভূবন
কেন যেতেই হবে জানিনা কি ছিল কারণ
কেন শোননি তুমি অবুঝ মনের বারণ?
অশ্রু ঝরা নয়ন যুগলে করছি তোমায় স্মরণ;
ও আল্লাহ করো তারে বেহেস্ত বরণ।

২.
কেন চলে গেলে তুমি দূরে
আজো তোমায় ভীষণ মনে পড়ে;
কেন থাকলে না আরো কিছুদিন
শোধ করতে পারিনি তোমার কোন ঋণ।
ছোট্ট বেলায় স্কুল ছুটি হলে
দেখতাম দাঁড়িয়ে আছো ঠায় দূরে;
দৌঁড়ে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তাম কোলে
আদরে আদরে ভরিয়ে দিতে গালে।
তোমার আদর মাখা ভালোবাসা জানো
মলিন হতে দেইনি আমি আজো;
কল্পনাতে আদর নেই যে রোজ
বাবা তুমি নাওকি আমার খোঁজ।
তোমায় ছাড়া আজ আমি ভীষণ একা
যদি পারো এসো স্বপ্নে দাও দেখা;
তোমার জন্য দোয়া করি রোজ
রেখো না মনে আমার কোন দোষ।
করতে পারিনি তোমার জন্য কিছু
তাইতো কষ্টগুলো নেয় শুধু আমার পিছু;
বাবা আমায় আজ ক্ষমা করো তুমি
জানোইতো আমার হৃদয় কষ্টের ভূমি।
জানিনা আজ কেমন আছো তুমি
থাকলে কাছে যেতাম কদম চুমি;
রহমান তুমি রহমতের কোলে
লালন করো তাকে তার পাপ যত সব ভুলে।

শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১৪

অনুভূতি

বিকেলটা দিলাম তোমায়
রাতটা কিন্তু আমার
উষ্ণ শ্বাস ছড়িয়ে দিও
আমার সারা গায়।
কি মধুর ছোঁয়া তোমার
সুপ্ত কোমল মন
ভালোবাসায় ভরিয়ে দিও
আমায় কিছু ক্ষণ।
কি সুখের অনুভূতি
তোমার আলতো ছোঁয়ায়
হাতটা তুমি সরিয়ে নিলে
যেন হৃদয় পোড়ায়।
এলো কেশ ছেড়ে দিয়ে
বুকে রেখো মাথা
অনুভূতিতে সাজিয়ে রেখো
হৃদয়ের পাতা।

১১.০১.২০১৪

সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১১

পড়শির সাথে শেষ দেখা

পড়শির সাথে শেষ যেদিন দেখা হয়েছিল সেদিন
আমি বসে গভীর মনোযোগে কাজ করছিলাম
কখন যে তুমি এসে আমার সামনে দাঁড়িছো
আমি খেয়ালই করিনি
কত সময় সামনে ছিলে তাও জানিনা।
সেদিন নীরবতা ভেঙ্গে তুমিই প্রথম জিজ্ঞেস করেছিলে-

বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১

লিখব বলে


কাগজ কলম টেনে নিলাম
লিখব বলে কবিতা
চোখের সামনে ভেসে ওঠল
প্রিয় তোমার ছবিতা।
চুলগুলো সব উস্কুখুস্ক
চোখগুলো টান টান
ভালোবাসা চাইতে গেলাম
ভাঙল পুতুল খান খান।

শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১১

দুঃস্বপ্ন


গাঢ় নিশিথে অশরীরী আত্মা এসে,
ফিসফিসিয়ে বলল তার কানে সুরে ;
উড়িয়ে নেবো তোমায় রাতের গভীরে
সাত সমুদ্রুর তের নদীর ওপারে,
যেথায় বসত করে হিংসুটে বুড়ি,
আছে তার সন্তান সেথায় দশকুড়ি ;
নখের আচঁড়ে ছিড়িবে তারা তোমায়,
গিলবে রক্তমাংসের সোনার দেহ ;
চিৎকার শুনে এগিয়ে যাবেনা কেহ,
বায়ূতে ধ্বস্ত হবে হায়েনার উল্লাস।
হঠাৎ ঘুম ভাঙল রমণী মিনুর,
ঘুম ভাঙল ভংয়কর স্বপ্ন দেখে,
মিলাতে পারছে না হিসাব কিছুতেই-
একি স্বপ্নই নাকি ছায়া অমঙ্গলের।

২ সেপ্টেম্বর, ২০১১

বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১১

পথের ফুল

পথের পাশে ক্ষুধায় কাতর
কত শত ফুল
ঝড়- বৃষ্টিতে পায়না তারা
একটুখানি কূল।
ক্ষুধার জ্বালায় দুপুর কাটে
কেটে যায় রাত


সেই শিশুটির জন্য তুমি
বাড়িয়েছো হাত?

তোমার প্রতীক্ষায়

জানালা খুলে বসে আছি
তোমার প্রতিক্ষায়,
তোমার জন্য চাঁদ মামা,
জোসনা ছড়ায়,
মিটি মিটি জোনাকীরা
পাহারা বসায়।আসবে তুমি মৃদু্ পায়ে
গোলাপ, জুঁই, বেলী চুঁযে,

তুমি আমি

আমি উড়ি ডানা মেলে
মেঘের ঐ বেলাতে
তুমি হও রামধনু
সুবিশাল ঐ আসমানে
আমি রোপি ফুলের চারা

একটা মানুষ

একটা মানুষ সাদা মনের
একটা মানুষ কালো
একটা মানুষ সব হারিয়ে
ভাসতে জানে ভালো
একটা মানুষ কাঁদতে জানে
একটা মানুষ হাসে
একটা মানুষ সব হারিয়েও

তোমায় আর বাঁধা দিচ্ছিনা

তুমি আমার থেকে দূরে সরতে চেয়েছ
আর বাঁধা দিচ্ছিনা,
তুমি আমায় দূরে ঠেলেতে চেয়েছ
আর মানা করছিনা,
তুমি আমার কে আবার
আমিই বা তোমার কে
এটা প্রশ্নই থেকে যাক,

শ্যামলা মেয়ে

শ্যামলা মেয়ের লম্বা চুলে
বেলী ফুলে সাজায়
হাতে পরে চুড়ি
লিনিক ঝিনিক বাজায়।

কালো চোখে কাজল দিয়ে
আড় চোখে তাকায়
একটু হেসে অগোচরে
ছুটে দূরে পালায়...

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites